বায়ুর উষ্ণ হওয়ার পদ্ধতি সমূহ

বায়ুর_উষ্ণ_হওয়ার_পদ্ধতি_সমূহ - প্রত্যক্ষ সৌর তাপ শোষণ - বিকিরণ - পরিচলন - পরিবহন - অ্যাডভেকেশন - চিত্র

বায়ুমন্ডলে উষ্ণতার প্রধান উৎস হল সূর্য। সূর্য থেকে আগেও সৌরবিকিরণকে বায়ুমন্ডল বিভিন্নভাবে শোষণ করে উষ্ণ হয়। বায়ুমন্ডলে প্রধানের চারটি প্রক্রিয়ায় উত্তপ্ত হয়। (১) প্রত্যক্ষ সৌরতাপ শোষণ (২) বিকিরণ (৩)  পরিচলন (৪) পরিবহন ১) প্রত্যক্ষ সৌর তাপ শোষণ সূর্য থেকে আগত রশ্মি পৃথিবীতে আসার সময় বায়ুমণ্ডলের নিম্ন স্তরে অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস,…

Read Moreবায়ুর উষ্ণ হওয়ার পদ্ধতি সমূহ

পৃথিবীর প্রধান প্রধান বায়ুচাপ বলয় সমূহ

পৃথিবীর চাপ বলয় সমূহ - চিত্র - ছবি - নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় - কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় - মেরুপ্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় - মেরুপ্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় - মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয়

কোন নির্দিষ্ট স্থানে একক ক্ষেত্রফলের উপর লম্বভাবে বায়ুমণ্ডল যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করে তাকে বায়ুর চাপ বলে। উষ্ণতার তারতম্য, জলীয় বাষ্প, উচ্চতা, স্থলভাগ ও জলভাগ এর বন্টন, আবর্তন বেগের দরুণ ভূপৃষ্ঠে সর্বত্র বায়ুর চাপ সম প্রকৃতির নয়। ফলে কোথাও উচ্চচাপ ও কোথাও নিম্নচাপ পরিলক্ষিত হয়। পৃথিবীর আকৃতি গোলাকার হওয়ার জন্য…

Read Moreপৃথিবীর প্রধান প্রধান বায়ুচাপ বলয় সমূহ

উপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলের শ্রেণীবিভাগ

উপাদানগত তারতম্যের ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস - চিত্র - ছবি - উপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলের শ্রেণীবিভাগ

যে অদৃশ্য আবরণ ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্ব আকাশে প্রায় 10,000 km পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে পৃথিবীকে চাদরের ন্যায় বেষ্টন করে অবস্থান করে এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে আবর্তিত হয় ও পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। রাসায়নিক গঠন বা উপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে মূলত দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।…

Read Moreউপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলের শ্রেণীবিভাগ

সিফ বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

সিফ বালিয়াড়ি কাকে বলে - চিত্র -ছবি

মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চলে বায়ুর সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল সিফ বালিয়াড়ি। সিফ বালিয়াড়ি মরু অঞ্চলে বায়ুর গতিপথের সমান্তরালে গঠিত দীর্ঘ ও সংকীর্ণ বালির শৈলশিরাকে সিফ বালিয়াড়ি বলে। উৎপত্তি ভূবিজ্ঞানী ব্যাগনল্ড -এর মতে বার্খান থেকে সিফ বালিয়াড়ির সৃষ্টি হয়। মরু অঞ্চলে প্রধান বায়ু প্রবাহের সঙ্গে ঋতুভেদে তীর্যকভাবে বায়ু…

Read Moreসিফ বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

বার্খান বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

বার্খান বালিয়াড়ি কাকে বলে - চিত্র - ছবি

মরু অঞ্চলে বায়ুর সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল বার্খান বালিয়াড়ি। বার্খান বালিয়াড়ি বায়ু প্রবাহের সঙ্গে আড়াআড়িভাবে গঠিত অর্ধচন্দ্রকৃত বালিয়াড়িগুলিকে বার্খান বালিয়াড়ি বলে। উৎপত্তি বায়ু প্রবাহের সমান্তরালে ও তির্যক বালিয়াড়ির পাশ বরাবর কোন কারণে ছোট ছোট ঘূর্ণির সৃষ্টি হলে তির্যক বালিয়াড়ির প্রান্ত ভাগগুলি বেঁকে শিং-এর ন্যায় হয়ে যায় এবং…

Read Moreবার্খান বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

বালিয়াড়ি কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণীবিভাগ

বালিয়াড়ি কাকে বলে - বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণীবিভাগ

মরু বা মরুপ্রায় অঞ্চলে বায়ু সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল বালিয়াড়ি। বালিয়াড়ি বায়ু প্রবাহের সঙ্গে বাহিত বালুরাশি বায়ুর গতিপথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বিস্তীর্ণ স্থান জুড়ে ধীরে ধীরে স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়। এইভাবে নিজে থেকে স্তূপীকৃত বালিরাশিকে বালিয়াড়ি বলে। ভূবিজ্ঞানী ব্যাগনল্ড 1941 খ্রিস্টাব্দে “The Physics of Blown Sand and Desert Dunes” গ্রন্থে…

Read Moreবালিয়াড়ি কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণীবিভাগ

সিজিগি (Syzygy) কি

সিজিগি Syzygy - সংযোগ অবস্থান - প্রতিযোগ অবস্থান - চিত্র - ছবি

গ্রিক শব্দ Suzugos থেকে Syzygy কথাটি এসেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এর অর্থ হলো যোগবিন্দু। সংজ্ঞা: চন্দ্র এবং পৃথিবী নিজেদের আপন কক্ষপথে সূর্যের চারিপাশে প্রদক্ষিণ করছে। এইভাবে ঘুরতে ঘুরতে যখন সূর্য, পৃথিবী ও চন্দ্রের কেন্দ্রবিন্দু একই সরল রেখায় অবস্থান করে তখন তাকে সিজিগি (Syzygy) বলে। শ্রেণীবিভাগ: সিজিগি’কে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা…

Read Moreসিজিগি (Syzygy) কি

গৌর বা গারা কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

গৌর বা গারা - চিত্র - ছবি - কাকে বলে

বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল গৌর বা গারা। গৌর মরু অঞ্চলে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে ব্যাঙের ছাতার মত দেখতে প্রশস্ত উপরিভাগ ও সরু নিম্নাংশ যুক্ত পাথরের অবশিষ্ট অংশকে গৌর বলে। উৎপত্তি মরু অঞ্চলে বায়ু প্রবাহের সময় প্রধানত ভূপৃষ্ঠ থেকে 1 মিটারের মধ্যে অধিক পরিমাণে বালুকণা পরিবহণ করে…

Read Moreগৌর বা গারা কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

নদীর ষষ্ঠঘাতের সূত্র বা Sixth Power Law কি ?

নদীর ষষ্ঠঘাতের সূত্র বা নদীর Sixth Power Law

নদীর বহনক্ষমতা নির্ভর করে তার গতিবেগ ও জলের পরিমাণের উপর আবার নদীর গতিবেগ, নদীর উপত্যকার ঢালের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। কোন নদীর একটি নির্দিষ্ট গতিবেগে ও নির্দিষ্ট জলের পরিমাণে যে পরিমাণ বহনক্ষমতা থাকে, যদি জলের পরিমাণ দুই গুন বৃদ্ধি পায় তবে বহনক্ষমতাও দুই গুণ বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু নদীর গতিবেগ যদি দ্বিগুণ বৃদ্ধি…

Read Moreনদীর ষষ্ঠঘাতের সূত্র বা Sixth Power Law কি ?

জোয়ার ভাটার ফলাফল আলোচনা কর

জোয়ার ভাটার ফলাফল বা প্রভাব

জোয়ার-ভাটা মানবজীবনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে। এর ফলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায় তেমন অনেক অসুবিধারও সম্মুখীন হতে হয়। যেমন- 1) জোয়ার ভাটার সুফল জোয়ার ভাটার সুফল গুলি হল- i) নৌ চলাচলের সুবিধা জোয়ারের ফলে নদীতে জলের পরিমাণ ও উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে জাহাজ নদী বন্দরে সহজে আসতে পারে…

Read Moreজোয়ার ভাটার ফলাফল আলোচনা কর