গ্রাবরেখা কাকে বলে ও শ্রেণীবিভাগ

গ্রাবরেখা কাকে বলে - চিত্র - ছবি

উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল গ্রাবরেখা। গ্রাবরেখা হিমবাহ দ্বারা বাহিত ক্ষয়জাত পদার্থসমূহ উপত্যকার বিভিন্ন অংশে সঞ্চিত হয়। এইরূপ সঞ্চয়কে গ্রাবরেখা বলে। উৎপত্তি উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ দ্বারা ক্ষয়জাত পদার্থসমূহ যেমন- ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাখন্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি, কাদা প্রভৃতি হিমবাহের সঙ্গে বাহিত হয়ে হিমবাহেরই সঙ্গে স্তুপাকারে সঞ্চিত…

Read Moreগ্রাবরেখা কাকে বলে ও শ্রেণীবিভাগ

মরা কোটাল বা মরা জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

মরা কোটাল কাকে বলে - কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মরা কোটাল - চিত্র

কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জোয়ারে জলস্ফীতি সাধারণ জোয়ারের চেয়ে কম হয়, একে মরা জোয়ার বা মরা কোটাল বলে। উৎপত্তি কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে পরস্পরের সমকোণে অবস্থান করে। এর ফলে চাঁদের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, তার সমকোণ অঞ্চলে সূর্যের আকর্ষণ বল কাজ করায়,…

Read Moreমরা কোটাল বা মরা জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার কাকে বলে - চিত্র

পৃথিবীর উপর চাঁদ-সূর্য ও পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক বলের প্রভাব প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর সমুদ্রের জলরাশি পর্যায়ক্রমে কোনো স্থানে ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে। মুখ্য জোয়ার আবর্তনের সময় পৃথিবীর যে অংশে চাঁদের আকর্ষণে যে জোয়ার হয় তাকে মুখ্য জোয়ার বলে। উৎপত্তি সূর্যের তুলনায় চাঁদ পৃথিবীর অধিক কাছে থাকায় পৃথিবীর উপর চাঁদের মহাকর্ষ বল অধিক…

Read Moreমুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

ভরা কোটাল বা ভরা জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

ভরা কোটাল - পূর্ণিমা তিথিতে ভরা কোটাল

পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে চাঁদ -সূর্যের মিলিত আকর্ষণে জোয়ারের জলস্ফীতি বেশি হয়, একে ভরা কোটাল বা ভরা জোয়ার বলা হয়। পূর্ণিমা তিথিতে ভরা কোটাল পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর দুই পাশে একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এই অবস্থানকে প্রতিযোগ অবস্থান বলা হয়। এর ফলে, পৃথিবীর একদিকে চাঁদের আকর্ষণে প্রবল জোয়ারের…

Read Moreভরা কোটাল বা ভরা জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

প্রত্যহ একই সময় জোয়ার ভাটা হয় না কেন

জোয়ার-ভাটার-সময়-ব্যবধান - কোন স্থানে দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ে ব্যবধান 24 ঘন্টার বেশি হয় কেন - জোয়ার ভাটার সময় ব্যবধান চিত্রসহ ব্যাখ্যা

প্রশ্নঃ প্রত্যহ একই সময়ে জোয়ার ভাটা হয় না কেন?প্রশ্নঃ কোন স্থানে দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ে ব্যবধান 24 ঘন্টার বেশি হয় কেন?প্রশ্নঃ জোয়ার ভাটার সময় ব্যবধান চিত্রসহ ব্যাখ্যা কর- তাই এক মুখ্য জোয়ার থেকে পরের মুখ্য জোয়ারের সময়ের পার্থক্য হয় ( 24 ঘন্টা + 52 মিনিট 40 সেকেন্ড = 24…

Read Moreপ্রত্যহ একই সময় জোয়ার ভাটা হয় না কেন

জোয়ার ভাটার সৃষ্টির কারণগুলি বিস্তারিত আলোচনা কর

জোয়ার ভাটার সৃষ্টির কারণ - জোয়ার ভাটার চিত্র - গৌণ জোয়ার ও মুখ্য জোয়ার

পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষনে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর সমুদ্রের জলরাশি পর্যায়ক্রমে কোনো স্থানে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং কোন স্থানে নিচে নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। জোয়ার ভাটার কারণ প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার ভাটা হয়ে থাকে- 1) পৃথিবীর উপর চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ2) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক বলের প্রভাব 1) পৃথিবীর…

Read Moreজোয়ার ভাটার সৃষ্টির কারণগুলি বিস্তারিত আলোচনা কর

উত্তর পশ্চিম ভারতে গম উৎপাদন বেশি হয় কেন

পাঞ্জাব - হরিয়ানা - উত্তরপ্রদেশ - উত্তর পশ্চিম ভারতে গম উৎপাদন বেশি হয় কেন

ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি, ভারতের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল অর্থাৎ পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশে পশ্চিম অঞ্চল ভারতে মোট গম উৎপাদনের প্রায় 60%-65% গম উৎপাদিত করে থাকে। তাই এটি Wheat Bowl of India নামে পরিচিত। এই অঞ্চল গম চাষে উন্নত হওয়ার কারণ গুলি হল- 1) প্রাকৃতিক পরিবেশ অঙ্কুরোদগম থেকে শুরু করে ফসল পাকা…

Read Moreউত্তর পশ্চিম ভারতে গম উৎপাদন বেশি হয় কেন

জলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ কেন হয়

জলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ কেন হয় - জলপ্রপাতের পশ্চাৎ অপসারণ - চিত্র

পার্বত্য প্রবাহে নদীর গতিপথে হঠাৎ ঢালের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলে জলরাশি ওই ঢাল বরাবর উপর থেকে নিচে পতিত হলে তাকে জলপ্রপাত বলে। কোন কোন সময় জলপ্রপাত বহু ক্ষেত্রে নদীর উৎসের দিকে কালক্রমে পশ্চাদপ্রসরণ করে। এর কারণগুলি হল- 1) কঠিন ও কোমর শিলার অবস্থান পার্বত্য অঞ্চলে নদীর গতিপথে কঠিন শিলা ও কমল…

Read Moreজলপ্রপাতের পশ্চাদপসরণ কেন হয়

মৌসুমী বায়ু কাকে বলে এবং তার বৈশিষ্ট্য

মৌসুমী জলবায়ুর অঞ্চল - পৃথিবীর ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চল - চিত্র - মৌসুমী বায়ু কাকে বলে - তার বৈশিষ্ট্য

আরবি শব্দ ‘মৌসিম‘ বা মালয় শব্দ ‘মনসিন’ থেকে মৌসুমী শব্দটির উৎপত্তি যার অর্থ হল ঋতু। সংজ্ঞা মৌসুমী বায়ু একটি সাময়িক বায়ু। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি সর্বপ্রথম 1686 খ্রিস্টাব্দে মৌসুমী শব্দটি ব্যবহার করেন ভারতের জলবায়ুতে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব…

Read Moreমৌসুমী বায়ু কাকে বলে এবং তার বৈশিষ্ট্য

ড্রামলিন ও রসে মতানে মধ্যে পার্থক্য

ড্রামলিন ও রসে মতানে মধ্যে পার্থক্য

ড্রামলিন ও রসে মতানের মধ্যে পার্থক্য গুলি হল- বিষয় ড্রামলিন রসে মতানে সংজ্ঞা হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে পর্বতের পাদদেশে সৃষ্ট দীর্ঘায়িত উল্টানো নৌকা বা চামচের আকৃতি বিশিষ্ট ভূমিরূপকে ড্রামলিন বলে পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে সৃষ্ট একদিকে মসৃণ ও অপর দিকে অসমতল ভূমিরূপকে রসে মোতানে বলে। উৎপত্তি হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে ড্রামলিন গঠিত হয়।…

Read Moreড্রামলিন ও রসে মতানে মধ্যে পার্থক্য