যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে - যান্ত্রিক আবহবিকারের বিভিন্ন প্রক্রিয়া - শল্কমোচন - প্রস্তর চাঁই বিচ্ছিন্নকরণ - ক্ষুদ্রকণা বিশরণ - তুহিন খন্ডিকরণ

যান্ত্রিক আবহবিকার । যান্ত্রিক আবহবিকারের বিভিন্ন প্রক্রিয়া

যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে ও যান্ত্রিক আবহবিকারের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি বা পক্রিয়াগুলি নিম্নে আলোচনা করা হল- যান্ত্রিক আবহবিকার (Physical Weathering): আবহাওয়া বিভিন্ন উপাদান যেমন বৃষ্টিপাত, উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বায়ু প্রবাহ ইত্যাদি এবং সূর্যালোক, নদী, জলরাশি, তুষারপাত, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা শিলার উপরিস্তর বা অভ্যন্তরে ক্রিয়ার ফলে শিলা যান্ত্রিকভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে স্বস্থানে অবস্থান করলে…

Read Moreযান্ত্রিক আবহবিকার । যান্ত্রিক আবহবিকারের বিভিন্ন প্রক্রিয়া
কোল বিদ্রোহের কারণ , বিস্তার , ফলাফল ও গুরুত্ব

কোল বিদ্রোহের কারণ , বিস্তার , ফলাফল ও গুরুত্ব

বিহারের ছোটনাগপুর, সিংভূম, মানভূম প্রভৃতি বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছিল কোলেদের বাসভূমি। উপজাতি জনগোষ্ঠী হিসাবে পরিচিত কোলেরা হো, মুন্ডা, ওঁরাও বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভক্ত ছিল।  ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে ছোটনাগপুর অঞ্চলের শাসনভার চলে যাবার পর সহজ সরল স্বাধীনচেতা কোল জনজাতির মনে ভীতির সঞ্চার হয়।  এর ফলস্বরূপ ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ও জমিদার,…

Read Moreকোল বিদ্রোহের কারণ , বিস্তার , ফলাফল ও গুরুত্ব
রাসায়নিক আবহবিকার কাকে বলে ? রাসায়নিক আবহবিকারের বিভিন্ন পদ্ধতি

রাসায়নিক আবহবিকার । রাসায়নিক আবহবিকারের বিভিন্ন পদ্ধতি

রাসায়নিক আবহবিকার কাকে বলে? ও রাসায়নিক আবহবিকারের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি আলোচনা করা হল- রাসায়নিক আবহবিকার (Chemical Weathering): বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাস, জল ও অম্লের প্রভাবে শিলা রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হয় এবং শিলা মধ্যস্থত মূল খনিজ গুলি নতুন গৌণ খনিজে পরিবর্তিত হয়, একে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। রাসায়নিক আবহবিকারের বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি হল- 1) জারণ (Oxidation):…

Read Moreরাসায়নিক আবহবিকার । রাসায়নিক আবহবিকারের বিভিন্ন পদ্ধতি
আবহবিকার কাকে বলে

আবহবিকার কাকে বলে ? বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ

আবহবিকার (Weathering) শব্দটি আবহাওয়া (Weather) শব্দ থেকে এসেছে। আবহবিকার (Weathering): আবহাওয়া ও বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদান যেমন উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা, বায়ু প্রবাহ ইত্যাদি এবং সূর্যালোক, নদী, জলরাশি, তুষারপাত, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তর যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চূর্ণ-বিচূর্ণ ও রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপর পরিবর্তিত শিলা স্তর তৈরি করলে তাকে আবহবিকার বা…

Read Moreআবহবিকার কাকে বলে ? বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ
লাভা ও ম্যাগমা পার্থক্য ও চিত্র

লাভা ও ম্যাগমা পার্থক্য

লাভা ও ম্যাগমা -এর মধ্যে পার্থক্যগুলি হল- বিষয় লাভা (Lava) ম্যাগমা (Magma) সংজ্ঞা ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত তরল ধাতব পদার্থ অগ্নুৎপাতের সময় ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে ভূপৃষ্ঠের উপর নির্গত হয় তাকে লাভা বলে। ভূ-অভ্যন্তরে সঞ্চিত তরল ধাতব পদার্থ বা আগ্নেয় পদার্থকে ম্যাগমা বলে। অবস্থান লাভা আগ্নেয়গিরির ছিদ্রপথ দিয়ে ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থান করে। ম্যাগমা…

Read Moreলাভা ও ম্যাগমা পার্থক্য
santali tradition

খুৎকাঠি প্রথা কি

ঔপনিবেশিক শাসনের আগে থেকেই ভারতের আদিম জনগোষ্ঠী মুন্ডাদের মধ্যে জমির মালিকানা বিষয়ক একটি বিশেষ প্রথা প্রচলন ছিল। এই প্রথা অনুযায়ী মুন্ডারা দীর্ঘদিন ধরে গোষ্ঠীবদ্ধভাবে তাদের পূর্বপুরুষদের জমি যৌথ মালিকানা ভোগ করতো। একে খুৎকাঠি প্রথা বলা হয়।

Read Moreখুৎকাঠি প্রথা কি
রংপুর বিদ্রোহ rangpur revolt

রংপুর বিদ্রোহ । কারণ , ফলাফল এবং গুরুত্ব

অষ্টাদশ শতকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক ইজারাদারি ব্যবস্থা ও শোষন, অত্যাচারীর বিরুদ্ধে একটি উল্লেখযোগ্য কৃষক বিদ্রোহ ছিল রংপুর বিদ্রোহ । সময় কাল ১৭৮৩ বিদ্রোহের এলাকা রংপুরের কাজিয়াহাট, কাকিনা ফতেপুর ডিমলা এবং দিনাজপুর নেতৃত্ব বৃন্দ নুরুলউদ্দিন ফলাফল ব্যর্থতা রংপুর বিদ্রোহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে দেবী সিংহ নামে এক জৈনিক ব্যক্তি তৎকালীন বাংলার গভর্নর…

Read Moreরংপুর বিদ্রোহ । কারণ , ফলাফল এবং গুরুত্ব
পাগলপন্থী বিদ্রোহ কি ? কাকে বলে ?

পাগলপন্থী বিদ্রোহ কি

পাগলপন্থী কারা এবং পাগলপন্থী বিদ্রোহ বা আন্দোলন কাকে বলে আসুন জেনে নেই- পাগলপন্থী কাদের বলা হত ঔপনিবেশিক শাসনকালে অবিভক্ত বাংলায় ময়মনসিংহ জেলার সুসঙ্গ- শেরপুর অঞ্চলে পাহাড়ের পাদদেশ গারো উপজাতির বসবাস ছিল। করিম শাহ নামে জৈনিক ফকির ঐ উপজাতিদের মধ্যে নতুন এক ধর্মমত প্রচার করা শুরু করেন। এই ধর্মের অনুরাগীদের পাগলপন্থী…

Read Moreপাগলপন্থী বিদ্রোহ কি
ভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূল পার্থক্য Difference between East Coast and West Coast of India in Bengali

ভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলের সমভূমির পার্থক্য

ভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলের পার্থক্যগুলি হল- বিষয় পূর্ব উপকূল পশ্চিম উপকূল বিস্তৃতি পূর্ব উপকূল সুবর্ণরেখা নদীর মোহনা থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। পশ্চিম উপকূল গুজরাটের কচ্ছের রন থেকে শুরু করে দক্ষিণে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত বিস্তৃ। সৃষ্টির পক্রিয়া ভারতের পূর্ব উপকূল সমুদ্র ও নদীর মিলিত সঞ্চয় কার্যের ফলে…

Read Moreভারতের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলের সমভূমির পার্থক্য
শহরে জল সরবরাহ - জলের সমোচ্চশীলতা ধর্মের ব্যবহারিক প্রয়োগ

জলের সমোচ্চশীলতা ধর্মের ব্যবহারিক প্রয়োগ

জলের সমোচ্চশীলতা ধর্মকে প্রয়োগ করে বড় বড় শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এর বিভিন্ন ধাপ গুলি হল- 1) কাছাকাছি কোন নদী, জলাশয় বা ভূ গর্ভস্থ থেকে জল পাম্পের সাহায্যে উঁচু একটি বিরাট ট্যাঙ্কে তোলা হয়। 2) সেই জলকে নান বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া যেমন- শারীরিক প্রক্রিয়া (পরিস্রাবণ, অধক্ষেপণ,…

Read Moreজলের সমোচ্চশীলতা ধর্মের ব্যবহারিক প্রয়োগ