ইনসেলবার্জ কি Inselberg

ইনসেলবার্জ কি ? বৈশিষ্ট্য এবং উদাহরণ

মরু অঞ্চলে কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত কোন অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সমতল ভূমিতে পরিণত হয়। কেবলমাত্র অপেক্ষাকৃত কঠিন শিলাস্তর কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ভূমিভাগ থেকে উঁচুতে ক্ষয়জাত পর্বত বা টিলার আকারে দাঁড়িয়ে থাকে। এদের ইনসেলবার্জ (Inselberg) বলে। বৈশিষ্ট্য: ১) ইনসেলবার্জ শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় জলবায়ুতে গড়ে ওঠে। ২) এটি সাধারণত গ্রানাইট,…

Read Moreইনসেলবার্জ কি ? বৈশিষ্ট্য এবং উদাহরণ
সিল, ল্যাকোলিথ, ফ্যাকোলিথ, ল্যাপোলিথ, ডাইক, ব্যাথোলিথ - উদবেধী অগ্নুৎপাতের ফলে গঠিত ভূমিরূপ

উদবেধী অগ্নুৎপাতের ফলে গঠিত ভূমিরূপ

অনেক সময় অগ্নুৎপাতের সময় ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে পৌঁছুতে না পেরে ভূ-অভ্যন্তরে সঞ্চিত ও শীতল হয়ে জমে যায়। এরূপ অগ্নুৎপাত’কে উদবেধী বা অন্তঃস্থ অগ্নুৎপাত বলা হয়।  উদবেধী অগ্নুৎপাত বা উদবেধী আগ্নেয়চ্ছ্বাসের ফলে ভূপৃষ্ঠে বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপে সৃষ্টি হয়। যেমন – 1) ব্যাথোলিথ (Batholith) ভূ-অভ্যন্তরের ম্যাগমা জমাট বেঁধে বৃহদাকার স্তুপের সৃষ্টি করলে…

Read Moreউদবেধী অগ্নুৎপাতের ফলে গঠিত ভূমিরূপ
সিয়াল সিমা কনরাড বিযুক্তি

বিযুক্তি রেখা কাকে বলে ? গুটেনবার্গ বিযুক্তি । মোহ বিযুক্তি । কনরাড বিযুক্তি

বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য অনুসারে ভূ অভ্যন্তরে যে স্তর ভাগ গঠিত হয়েছে সেই স্তর গুলি একে অপরের সঙ্গে এক সূক্ষ্ম সীমারেখায় মিলিত হয়েছে, যাতে দুটি স্তরের মধ্যে সহজে পার্থক্য করা যায়।  অর্থাৎ যে সীমারেখা দ্বারা বিভিন্ন স্তর গুলিকে পৃথক করা হয় সেই সীমারেখাকে বিযুক্তি রেখা বলে।  ভূ অভ্যন্তরে তিনটি বিযুক্তি রেখা…

Read Moreবিযুক্তি রেখা কাকে বলে ? গুটেনবার্গ বিযুক্তি । মোহ বিযুক্তি । কনরাড বিযুক্তি
ইথিলিন -এর রাসায়নিক গঠন ইথিলিন -এর রাসায়নিক গঠন

ইথিলিন কি উদ্ভিদ হরমোন ? এর শারীরবৃত্তিয় ভূমিকা ও ব্যবহারিক প্রয়োগ

সাধারণ উষ্ণতায় ইথিলিন একটি গ্যাসীয় পদার্থ। নেলজুবো (Neljubow), 1901 খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ইথিলিন গ্যাস প্রয়োগে উদ্ভিদের মূলের খর্বতা এবং এর অনুভূমিকভাবে বৃদ্ধির ব্যাপারে উল্লেখ করেন। পরবর্তীকালে গেনী (Gane, 1934) ইথিলিনকে ফল পরিপক্কতায় উদ্ভিদের একটি প্রাকৃতিক পদার্থ রূপে গণ্য করেন। উদ্ভিদ হরমোন হিসাবে ইথিলিন 1967 সালে আন্তর্জাতিক উদ্ভিদ শরীর বিদ্যা সম্মেলন এর…

Read Moreইথিলিন কি উদ্ভিদ হরমোন ? এর শারীরবৃত্তিয় ভূমিকা ও ব্যবহারিক প্রয়োগ
পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাব

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর উপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব

মৌসিন কথার অর্থ হল ঋতু। অর্থাৎ ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভিন্ন দিক থেকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে। পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী প্রকৃতির হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের উষ্ণতা বৃষ্টিপাত আপেক্ষিক আর্দ্রতা প্রভৃতি এই বায়ু নিয়ন্ত্রিত করে। পশ্চিমবঙ্গে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব গুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো-  ১) পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম…

Read Moreপশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর উপর মৌসুমী বায়ুর প্রভাব
মোনাডনক কাকে বলে বা কি monadnock

মোনাডনক কি ? বৈশিষ্ট্য এবং উদাহরণ

ভূমি বিবর্তনের শেষ পর্যায়ে বা বার্ধক্য অবস্থায় নদী বিভাজিকাগুলির উচ্চতা হ্রাস পেলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে উত্তল চালমুক্ত একটি নিম্ন সমতল ভূমি সৃষ্টি হয় যা সমপ্রায় ভূমি নামে পরিচিত।  এই সমপ্রায় ভূমির ওপর অপেক্ষাকৃত কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত কম ক্ষয়প্রাপ্ত টিবির মতো আকৃতি বিশিষ্ট পাহাড়গুলিকে মোনাডনক বলে। উদাহরণ:  ছোটনাগপুর মালভূমির পরেশনাথ,…

Read Moreমোনাডনক কি ? বৈশিষ্ট্য এবং উদাহরণ
পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য পশ্চিমবঙ্গের বার্ষিক বৃষ্টিপাত

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু সাধারণত ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির। মৌসুমী বায়ু পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর উপর সর্বাধিক প্রভাব বিস্তার করে, তাই পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু উষ্ণ-আর্দ্র মৌসুমী প্রকৃতির। পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য গুলি হল-  ১) ঋতু পরিবর্তন সূর্যের পরিক্রমণ বা বার্ষিক গতি ও মৌসুমী বায়ুর আগমন ও প্রত্যাবর্তনের উপর ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও শীত এই…

Read Moreপশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য
পশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতি মানচিত্র পশ্চিমবঙ্গের সমভূমি অঞ্চল

পশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতি

ভূপ্রকৃতি বলতে আমরা সাধারণত বুঝি ভূমির অবস্থান। পশ্চিমবঙ্গের ভূমিরূপ বৈচিত্র্যময়। এই বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় ১) উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল ২) পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল ৩) সমভূমি অঞ্চল ১) উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল অবস্থানঃ শিলিগুড়ি মহকুমা বাদে সমগ্র দার্জিলিং জেলা, জলপাইগুড়ি জেলার উত্তরাংশ নিয়ে এই পার্বত্য অঞ্চল বিস্তৃত। বৈশিষ্ট্যঃ…

Read Moreপশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতি
ভারতের প্রধান প্রধান ধান উৎপাদক অঞ্চল সমূহ ম্যাপ

ভারতের ধান উৎপাদক অঞ্চল সমূহ

দেশে ৪ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ থেকে ৩৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে আর্দ্র ও শুষ্ক সেচসেবিত অঞ্চলগুলিতে ধান চাষ করা হয়।  ভারতের প্রধানত আউস, আমন, বোরো এই তিন প্রকারের ধান উৎপাদিত হয়।  ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার রিসার্চ (Indian Council of Agricultural Research) এর মতে দেশের আটটি অঞ্চলে ধান উৎপাদিত হয়।  যেমন-…

Read Moreভারতের ধান উৎপাদক অঞ্চল সমূহ
ভারতে ধান চাষের প্রধান সমস্যা ও সমাধান

ভারতে ধান চাষের সমস্যা ও সমাধান আলোচনা কর

ধান উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় স্থান অধিকার করলেও ভারতের ধান উৎপাদনের কিছু সমস্যা বিদ্যমান। সমস্যা: ১) ভারতে ধান চাষের প্রধান সমস্যা হিসেবে FAO (Food and Agriculture Organization) -এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যায় যে এখানে হেক্টর প্রতি ধানের উৎপাদন খুব কম। পরিসংখ্যান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতের হেক্টর প্রতি উৎপাদন মাত্র…

Read Moreভারতে ধান চাষের সমস্যা ও সমাধান আলোচনা কর