কার্যকরী সৌর বিকিরণ ও অ্যালবেডো কাকে বলে - চিত্র

কার্যকরী সৌর বিকিরণ ও অ্যালবেডো

ভূ-পৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের প্রধান তাপ শক্তির উৎস হল সূর্য। সম্পূর্ণ সূর্য থেকে যে পরিমাণ সৌরশক্তি নির্গত বা বিকিরিত হয় তার মাত্র  1/200 কোটি ভাগ পৃথিবীতে ক্ষুদ্র তরঙ্গ রূপে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উর্ধ্বসীমায় আগত সৌর শক্তির পরিমাণকে 100 ইউনিট ধরে পার্থিব হিট বাজেট বর্ণনা করা যায়। সৌরশক্তি বায়ুমন্ডলে ক্ষুদ্র…

Read Moreকার্যকরী সৌর বিকিরণ ও অ্যালবেডো
আবহাওয়া জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক সমূহ কি কি আলোচনা করো

আবহাওয়া জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক সমূহ

আবহাওয়া জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক সমূহ সরাসরি আবহাওয়ার উপাদান সমূহকে প্রবাহিত করে যা পরোক্ষভাবে আবহাওয়া, জলবায়ু প্রবাহিত হয়। নিম্নে নিয়ন্ত্রণ গুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো । (১) অক্ষাংশ সূর্য রশ্মি যেখানে লম্বভাবে পতিত হয় সেখানে উষ্ণ প্রকৃতির এবং যেখানে তীর্যভাবে পরে সেখানে শীতল প্রকৃতির। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য রশ্মি লম্বভাবে পতিত হয় ফলে…

Read Moreআবহাওয়া জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক সমূহ
বায়ুর_উষ্ণ_হওয়ার_পদ্ধতি_সমূহ - প্রত্যক্ষ সৌর তাপ শোষণ - বিকিরণ - পরিচলন - পরিবহন - অ্যাডভেকেশন - চিত্র

বায়ুর উষ্ণ হওয়ার পদ্ধতি সমূহ

বায়ুমন্ডলে উষ্ণতার প্রধান উৎস হল সূর্য। সূর্য থেকে আগেও সৌরবিকিরণকে বায়ুমন্ডল বিভিন্নভাবে শোষণ করে উষ্ণ হয়। বায়ুমন্ডলে প্রধানের চারটি প্রক্রিয়ায় উত্তপ্ত হয়। (১) প্রত্যক্ষ সৌরতাপ শোষণ (২) বিকিরণ (৩)  পরিচলন (৪) পরিবহন ১) প্রত্যক্ষ সৌর তাপ শোষণ সূর্য থেকে আগত রশ্মি পৃথিবীতে আসার সময় বায়ুমণ্ডলের নিম্ন স্তরে অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস,…

Read Moreবায়ুর উষ্ণ হওয়ার পদ্ধতি সমূহ
পৃথিবীর চাপ বলয় সমূহ - চিত্র - ছবি - নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় - কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় - মেরুপ্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় - মেরুপ্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় - মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয়

পৃথিবীর প্রধান প্রধান বায়ুচাপ বলয় সমূহ

কোন নির্দিষ্ট স্থানে একক ক্ষেত্রফলের উপর লম্বভাবে বায়ুমণ্ডল যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করে তাকে বায়ুর চাপ বলে। উষ্ণতার তারতম্য, জলীয় বাষ্প, উচ্চতা, স্থলভাগ ও জলভাগ এর বন্টন, আবর্তন বেগের দরুণ ভূপৃষ্ঠে সর্বত্র বায়ুর চাপ সম প্রকৃতির নয়। ফলে কোথাও উচ্চচাপ ও কোথাও নিম্নচাপ পরিলক্ষিত হয়। পৃথিবীর আকৃতি গোলাকার হওয়ার জন্য…

Read Moreপৃথিবীর প্রধান প্রধান বায়ুচাপ বলয় সমূহ
উপাদানগত তারতম্যের ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস - চিত্র - ছবি - উপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলের শ্রেণীবিভাগ

উপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলের শ্রেণীবিভাগ

যে অদৃশ্য আবরণ ভূপৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্ব আকাশে প্রায় 10,000 km পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে পৃথিবীকে চাদরের ন্যায় বেষ্টন করে অবস্থান করে এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে আবর্তিত হয় ও পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। রাসায়নিক গঠন বা উপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে মূলত দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।…

Read Moreউপাদানের তারতম্য অনুসারে বায়ুমণ্ডলের শ্রেণীবিভাগ
সিফ বালিয়াড়ি কাকে বলে - চিত্র -ছবি

সিফ বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চলে বায়ুর সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল সিফ বালিয়াড়ি। সিফ বালিয়াড়ি মরু অঞ্চলে বায়ুর গতিপথের সমান্তরালে গঠিত দীর্ঘ ও সংকীর্ণ বালির শৈলশিরাকে সিফ বালিয়াড়ি বলে। উৎপত্তি ভূবিজ্ঞানী ব্যাগনল্ড -এর মতে বার্খান থেকে সিফ বালিয়াড়ির সৃষ্টি হয়। মরু অঞ্চলে প্রধান বায়ু প্রবাহের সঙ্গে ঋতুভেদে তীর্যকভাবে বায়ু…

Read Moreসিফ বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য
বার্খান বালিয়াড়ি কাকে বলে - চিত্র - ছবি

বার্খান বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

মরু অঞ্চলে বায়ুর সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল বার্খান বালিয়াড়ি। বার্খান বালিয়াড়ি বায়ু প্রবাহের সঙ্গে আড়াআড়িভাবে গঠিত অর্ধচন্দ্রকৃত বালিয়াড়িগুলিকে বার্খান বালিয়াড়ি বলে। উৎপত্তি বায়ু প্রবাহের সমান্তরালে ও তির্যক বালিয়াড়ির পাশ বরাবর কোন কারণে ছোট ছোট ঘূর্ণির সৃষ্টি হলে তির্যক বালিয়াড়ির প্রান্ত ভাগগুলি বেঁকে শিং-এর ন্যায় হয়ে যায় এবং…

Read Moreবার্খান বালিয়াড়ি । উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য
বালিয়াড়ি কাকে বলে - বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণীবিভাগ

বালিয়াড়ি কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণীবিভাগ

মরু বা মরুপ্রায় অঞ্চলে বায়ু সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল বালিয়াড়ি। বালিয়াড়ি বায়ু প্রবাহের সঙ্গে বাহিত বালুরাশি বায়ুর গতিপথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বিস্তীর্ণ স্থান জুড়ে ধীরে ধীরে স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়। এইভাবে নিজে থেকে স্তূপীকৃত বালিরাশিকে বালিয়াড়ি বলে। ভূবিজ্ঞানী ব্যাগনল্ড 1941 খ্রিস্টাব্দে “The Physics of Blown Sand and Desert Dunes” গ্রন্থে…

Read Moreবালিয়াড়ি কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য ও শ্রেণীবিভাগ
উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে ভারত সরকারের কি কি উদ্যোগ নিয়েছিল

উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে ভারত সরকারের উদ্যোগ

১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন ছিল ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে সংজ্ঞায়িত ঘটনাগুলির মধ্যে একটি। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনুমোদিত ভারতীয় স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী এবং ধর্মের ভিত্তিতে ভারত দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে পাকিস্তান ও বাকি অঞ্চল নিয়ে ভারত নামক দুটি নব রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৪৭-র বিভাজনের দরুন এক মানবিক বিপর্যয়…

Read Moreউদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে ভারত সরকারের উদ্যোগ
প্রাচ্য পাশ্চাত্য বিতর্ক ও মেকলে মিনিট কি

প্রাচ্য পাশ্চাত্য বিতর্ক ও মেকলে মিনিট

অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের বিস্তীর্ণ ভূখন্ড নিজেদের অধিপত্য প্রতিষ্ঠা করার পর এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কি ধরনের ধরনের হওয়া উচিত সেই নিয়ে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শিক্ষা বিষয়ক দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটে। ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের চার্টার অ্যাক্ট ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে পাস হওয়া চার্টার অ্যাক্ট বা সনদ আইনের…

Read Moreপ্রাচ্য পাশ্চাত্য বিতর্ক ও মেকলে মিনিট