উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে ভারত সরকারের কি কি উদ্যোগ নিয়েছিল

উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে ভারত সরকারের উদ্যোগ

১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন ছিল ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে সংজ্ঞায়িত ঘটনাগুলির মধ্যে একটি। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনুমোদিত ভারতীয় স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী এবং ধর্মের ভিত্তিতে ভারত দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে পাকিস্তান ও বাকি অঞ্চল নিয়ে ভারত নামক দুটি নব রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ১৯৪৭-র বিভাজনের দরুন এক মানবিক বিপর্যয়…

Read Moreউদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে ভারত সরকারের উদ্যোগ
প্রাচ্য পাশ্চাত্য বিতর্ক ও মেকলে মিনিট কি

প্রাচ্য পাশ্চাত্য বিতর্ক ও মেকলে মিনিট

অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের বিস্তীর্ণ ভূখন্ড নিজেদের অধিপত্য প্রতিষ্ঠা করার পর এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কি ধরনের ধরনের হওয়া উচিত সেই নিয়ে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শিক্ষা বিষয়ক দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটে। ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের চার্টার অ্যাক্ট ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে পাস হওয়া চার্টার অ্যাক্ট বা সনদ আইনের…

Read Moreপ্রাচ্য পাশ্চাত্য বিতর্ক ও মেকলে মিনিট
সিজিগি Syzygy - সংযোগ অবস্থান - প্রতিযোগ অবস্থান - চিত্র - ছবি

সিজিগি (Syzygy) কি

গ্রিক শব্দ Suzugos থেকে Syzygy কথাটি এসেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এর অর্থ হলো যোগবিন্দু। সংজ্ঞা: চন্দ্র এবং পৃথিবী নিজেদের আপন কক্ষপথে সূর্যের চারিপাশে প্রদক্ষিণ করছে। এইভাবে ঘুরতে ঘুরতে যখন সূর্য, পৃথিবী ও চন্দ্রের কেন্দ্রবিন্দু একই সরল রেখায় অবস্থান করে তখন তাকে সিজিগি (Syzygy) বলে। শ্রেণীবিভাগ: সিজিগি’কে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা…

Read Moreসিজিগি (Syzygy) কি
গৌর বা গারা - চিত্র - ছবি - কাকে বলে

গৌর বা গারা কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল গৌর বা গারা। গৌর মরু অঞ্চলে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ের ফলে ব্যাঙের ছাতার মত দেখতে প্রশস্ত উপরিভাগ ও সরু নিম্নাংশ যুক্ত পাথরের অবশিষ্ট অংশকে গৌর বলে। উৎপত্তি মরু অঞ্চলে বায়ু প্রবাহের সময় প্রধানত ভূপৃষ্ঠ থেকে 1 মিটারের মধ্যে অধিক পরিমাণে বালুকণা পরিবহণ করে…

Read Moreগৌর বা গারা কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য
নদীর ষষ্ঠঘাতের সূত্র বা নদীর Sixth Power Law

নদীর ষষ্ঠঘাতের সূত্র বা Sixth Power Law কি ?

নদীর বহনক্ষমতা নির্ভর করে তার গতিবেগ ও জলের পরিমাণের উপর আবার নদীর গতিবেগ, নদীর উপত্যকার ঢালের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। কোন নদীর একটি নির্দিষ্ট গতিবেগে ও নির্দিষ্ট জলের পরিমাণে যে পরিমাণ বহনক্ষমতা থাকে, যদি জলের পরিমাণ দুই গুন বৃদ্ধি পায় তবে বহনক্ষমতাও দুই গুণ বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু নদীর গতিবেগ যদি দ্বিগুণ বৃদ্ধি…

Read Moreনদীর ষষ্ঠঘাতের সূত্র বা Sixth Power Law কি ?
জোয়ার ভাটার ফলাফল বা প্রভাব

জোয়ার ভাটার ফলাফল আলোচনা কর

জোয়ার-ভাটা মানবজীবনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে। এর ফলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায় তেমন অনেক অসুবিধারও সম্মুখীন হতে হয়। যেমন- 1) জোয়ার ভাটার সুফল জোয়ার ভাটার সুফল গুলি হল- i) নৌ চলাচলের সুবিধা জোয়ারের ফলে নদীতে জলের পরিমাণ ও উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে জাহাজ নদী বন্দরে সহজে আসতে পারে…

Read Moreজোয়ার ভাটার ফলাফল আলোচনা কর
সত্তর বৎসর আত্মজীবনী গ্রন্থের গুরুত্ব - সত্তর বৎসর - বিপিনচন্দ্র পাল

ইতিহাসের উপাদান হিসাবে সত্তর বৎসর আত্মজীবনী গ্রন্থের গুরুত্ব

আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা আধুনিক ভারতের ইতিহাসে অন্যতম উপাদান। রাজনীতিবিদ, সমাজ সংস্কারক ও সাংবাদিক বিপিনচন্দ্র পালের লেখা আত্মজীবনী সত্তর বৎসর‘তে ১৮৫৮ থেকে ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সমসাময়িক ভারতের নানান গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও তথ্য, পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে। আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চায় এই রচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে- ১) ইতিহাসের উপাদান নিজ গ্রন্থ সম্বন্ধে বিপিনচন্দ্র…

Read Moreইতিহাসের উপাদান হিসাবে সত্তর বৎসর আত্মজীবনী গ্রন্থের গুরুত্ব
গ্রাবরেখা কাকে বলে - চিত্র - ছবি

গ্রাবরেখা কাকে বলে ও শ্রেণীবিভাগ

উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল গ্রাবরেখা। গ্রাবরেখা হিমবাহ দ্বারা বাহিত ক্ষয়জাত পদার্থসমূহ উপত্যকার বিভিন্ন অংশে সঞ্চিত হয়। এইরূপ সঞ্চয়কে গ্রাবরেখা বলে। উৎপত্তি উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ দ্বারা ক্ষয়জাত পদার্থসমূহ যেমন- ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাখন্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি, কাদা প্রভৃতি হিমবাহের সঙ্গে বাহিত হয়ে হিমবাহেরই সঙ্গে স্তুপাকারে সঞ্চিত…

Read Moreগ্রাবরেখা কাকে বলে ও শ্রেণীবিভাগ
মরা কোটাল কাকে বলে - কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মরা কোটাল - চিত্র

মরা কোটাল বা মরা জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জোয়ারে জলস্ফীতি সাধারণ জোয়ারের চেয়ে কম হয়, একে মরা জোয়ার বা মরা কোটাল বলে। উৎপত্তি কৃষ্ণ ও শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে পরস্পরের সমকোণে অবস্থান করে। এর ফলে চাঁদের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, তার সমকোণ অঞ্চলে সূর্যের আকর্ষণ বল কাজ করায়,…

Read Moreমরা কোটাল বা মরা জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য
মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার কাকে বলে - চিত্র

মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য

পৃথিবীর উপর চাঁদ-সূর্য ও পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক বলের প্রভাব প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় অন্তর সমুদ্রের জলরাশি পর্যায়ক্রমে কোনো স্থানে ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে। মুখ্য জোয়ার আবর্তনের সময় পৃথিবীর যে অংশে চাঁদের আকর্ষণে যে জোয়ার হয় তাকে মুখ্য জোয়ার বলে। উৎপত্তি সূর্যের তুলনায় চাঁদ পৃথিবীর অধিক কাছে থাকায় পৃথিবীর উপর চাঁদের মহাকর্ষ বল অধিক…

Read Moreমুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ার কাকে বলে ও বৈশিষ্ট্য